উত্তরায় মনোমুগ্ধকর মিলনমেলা

সংবাদ সারাক্ষণ
সম্পাদনাঃ ২৭ অক্টোবর ২০১৮ - ০৫:৪০:১৬ পিএম

মুহাম্মদ গাজী তারেক রহমান: গত ২৬ অক্টোবর বৃহত্তর উত্তরা কমিউনিটির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও পরিবেশবান্ধব এলাকা উত্তরা ১২ নং সেক্টর কল্যাণ সমিতির উদ্যোগে ১২ সেক্টরে বসবাসরত বাসিন্দাদের নিয়ে এক মনোমুগ্ধকর ‘মিলনমেলা’র আয়োজন সম্পন্ন হয়। ১২নং সেক্টরের ১নং রোডে অবস্থিত ঈদগাহ্ ও খেলার মাঠে এই মিলনমেলার আয়োজনটি অনুষ্ঠিত হয়। এসময় মাঠের চারপাশ সাদা পর্দায় বেষ্টন করে ভেতরে বাঁশের বেড়ায় তৈরি গ্রাম্য ঘর, কলা গাছের ঝাড়, ঠেলাগাড়ির পাতা-লতা আর দৃষ্টিনন্দন আলোকসজ্জায় শহরের নিভৃতে ১২নং সেক্টর পার্ক হয়ে ওঠে সন্ধ্যা চাঁদের আলোয় জড়ানো কোন এক গাঁয়ের ছোট্ট একটি উঠান। আর সেই উঠানে জায়গা করে নিতেই যেন এসেছিল শহরের ইট-পাথরে মোড়ানো চার দেয়ালের ভেতরে থাকা ১২নং সেক্টরে বসবাসরত বাসিন্দারা।


শুক্রবার বিকেলের পর থেকেই একে একে মিলনমেলায় উপস্থিত হতে থাকেন ১২নং সেক্টরের বাসিন্দাগণ এবং সম্মাণিত অতিথিবৃন্দ।

উত্তরা ১২ নং সেক্টর কল্যাণ সমিতির সভাপতি এ.কে.এম নাসির উল্যাহর সভাপতিত্বে মেলনমেলাটিতে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন ১নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আফসার উদ্দিন খান।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সেক্টর কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক শরীফ সান্টু। এসময়, উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট নাট্য ব্যক্তিত্ব ও উত্তরা ১২ নং সেক্টর কল্যাণ সমিতির সিনিয়র সহ-সভাপতি সাজ্জাদ মাহমুদ, সহ-সভাপতি প্রকৌশলী মোঃ কবিরউজ্জামান, রুহুল ইসলাম, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, সাংগঠনিক ও প্রচার সম্পাদক কাজী মোঃ আবুল হাছান, দপ্তর সম্পাদক মোঃ শফিকুর রহমান, স্বাস্থ্য ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক আব্দুস সাত্তার সহ সেক্টর কল্যাণ সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।


এর আগে মিলনমেলা প্রাঙ্গনে সকাল ৮টা থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত ফ্রি হেলথ্ ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়। হেলথ্ ক্যাম্পে সেক্টরের অনেকেই  স্বাস্থ্যসেবা নিতে ছুটে আসেন এবং মিলনমেলা প্রাঙ্গন পরিদর্শন করেন।

সন্ধ্যায় বুফে ডিনার ও কফি লাউঞ্জ শেষে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।

এসময় সঙ্গীত পরিবেশন করেন সঙ্গীত শিল্পী সনদ্বীপন, সুচিত্রা, খাইরুল ওয়াসি, সাথী, রুপসা সহ আরও অনেকেই।

সর্বশেষ, রাত ১১টায় মিলনমেলার বিশেষ আকর্ষণ আতশবাজির ঝলকানিতে উত্তরা ১২নং সেক্টরের আকাশ লাল,নীল,সবুজ আর বাহারি রঙের আলোয় আলোকিত হয়ে উঠে। প্রায় ১০-১২ মিনিট ব্যাপী চলা আতশবাজিতে মিলনমেলা স্থানটিতে এক আনন্দঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

সর্বশেষ